দু’পায়ে রংপুর (পর্ব-০৪)

দিন-০৪

দূরত্ব – ৪২কিমি

নীলফামারী- বন্দর বাজার- খিয়াজুম্মা বাজার -রংপুর।

কালকের মত আজকে গাড়ীতে যাওয়া লাগবে না। হাতে কিছুটা সময় আছে। ফ্রেশ হয়ে, ব্যাগ গুছিয়ে হাটা শুরু করে দেই।

পাঁচ কিলোমিটার হাটার পর বাজারের হোটেলে নাস্তা সেরে নিয়ে নীলফামারী- সৈয়দপুর রোডে হাটতে লাগলাম।
বন্দর বাজারে পৌছে, সিদ্ধান্ত নিলাম মহাসড়ক দিয়ে না হেঁটে গ্রামের রাস্তা দিয়ে হাটবো। গুগল মামাকে নক দিলাম, উনি খুব সুন্দরভাবে পথ দেখিয়ে দিলেন। দূরত্বও কিছুটা কমলো।

ফসলি জমির মঝে রাস্তা

সব ঠিক ছিল,ঝামেলাটা বাধলো রোদ নিয়ে। রাস্তার পাশের গাছ যে কত গুরুত্বপূর্ণ সেটা বুঝা গেল আজকে। মাঝে ২-৪ টা গাছ একসাথে ছায়া দিলে ওখানে বসে পড়ি।
গ্রামের রাস্তায় হাটার মজাই অন্যরকম। লোকাল মানুষের কাজকর্ম, কথাবার্তা আচার-আচরণ সব নিজের চোখের সামনে চলে আসে।
দুপুর ১২ টা নাগাদ, মহাসড়কের উপর সংযুক্ত রোডের খিয়াজুম্মা বাজারে পোছাই।

বাজার থেকে সামনে, রাস্তার পাশে ঘাসের উপর ১৫ মিনিটের লম্বা ঘুম হয়ে গেল। উঠে আবার হাটা শুরু করলাম। একেবারে নীলফামারী রংপুর জেলা সীমান্তে দুপুরের খাবারের বিরতি। খাবার শেষ করে,দোকানেই হালকা রেস্ট। দোকানদারের সাথে কিছু আলাপ আলোচনাও চললো। দোকানীকে বিল পরিশোধ করে আবার হাটাশুরু করে দিলাম।

রংপুর-নীলফামারী গেইট

দিনের আলো কমে আসছে,রাস্তার দুপাশে গাছের ছায়াও বেশ ভাল। তাই একটু দ্রুত গতিতে হাটা শুরু করলাম। মোবাইলের আলোতে কিছুক্ষণ হাটলাম দ্রুত গতিতে, এরপর অটোতে করে রংপুর শহরে।

#RangpurDivisionWalk

#SayNoToEnvironmentalPollution

 #KeepSafeEnvironment_duringTravel

#SayNoToPlasticPollution

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *