কুতুবদিয়া ভ্রমন

হঠাৎ কোনো প্লান ছাড়া দৌড় । বড় ভাইয়ের সাথে কাজে। নতুন এলাকায় যাব,কাজে হোক আর যে কারনে হোক,ঘুরাঘুরি হবে না,কেমনে হয়? কক্সবাজার থেকে যাত্রা দুপুর ২:৩০ ববাদ মদুনাঘাট।ছোট নদীর পথ ৩০ মিনিটে কুতুবদিয়া পৌছলাম। বাসায় গিয়ে দুইটি দুপুরের খাওয়া শেষ করে, বের হয়ে পড়লাম কাজে। কিন্ত ওই যে বললাম ঘুরাঘুরি কিন্ত হবে।

কুতুবদিয়ার রাস্তাঘাট কিন্ত অসাধারন । আমার কাছে কুতুবদিয়া প্রধান সড়কটা মেরিন ড্রাইভের মত লেগেছে। যাস্ট পার্থক্যটা হল মেরিন ড্রাইভের একপাশে পাহাড়ের নিরবতা অন্যপাশে সমুদ্রের গর্জন । আর কুতুবদিয়া রাস্তার দুইপাশে বিস্থৃন্ন লবনের মাঠ। রোড ফাঁকা, মোটরসাইকেল দ্রুত গতিতে ছুটে চলছে ,২০ মিনিটের মধ্যে আমারা পৌছে গেলাম কুতুবদিয়া বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। এটি দেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বেড়িবাঁধ থেকে সমুদ্র সৈকতের দৃশ্য অবলোকনের মাধ্যমে দিনের সমাপ্তি।

কুতুবদিয়া রাতের অভিজ্ঞাতা অসাধারন, বাসার ছাঁদ!! আমি দাঁড়িয়ে আছি!! আর একা একা জোসনা রাতের দৃশ্য উপভোগ!! অসাধারন অনুভূতি!!

কুতুবদিয়া এসে পরিচিত হয় লবন চাষের সাথে । সেই অনেক অাগ থেকে শুনেছে মহেশখালী-কুতুবদিয়া ভাল লবনের চাষ হয়,কিন্ত দেখা হয় নাই লবনের মাঠ বা চাষ পদ্ধতি। বিস্তৃর্ণ মাঠ,চাষ হচ্ছে লবন, চাষীরা কাজ করেই যাচ্ছে । আংকেলের কাছ থেকে চাষের ধাপগুলো জেনে নিলাম। সকালে উঠে ভাইয়ের সাথে কাজের উদ্দ্যেশ্যে বের হওয়া। কিছু ব্যস্থতা শেষ করে বাতিঘরের দিকে রওনা হলাম। এই বাতিঘরের ইতিহাস অনেক পুরোনো। মূল বাতিঘরটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ,এই কাছাকাছি নতুন তৈরি করা হয়েছে। কিছুক্ষণ বাতিঘর এলাকায় ঘুরে,কুতুবদিয়া সফরের সমাপ্তি।

বিকেলে আবার চট্টগ্রামের অভিমুখে যাত্রা..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *